ই-পেপার

ক্ষেপণাস্ত্র ঘাটতির কারণে হামলা স্থগিত করেছেন ট্রাম্প: নিউইয়র্ক টাইমস

আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত কমে যাওয়ার উদ্বেগে

আপডেট: ২৬ জুলাই ২০২৬, ২২:২৩
১৮ ভিউ
ক্ষেপণাস্ত্র ঘাটতির কারণে হামলা স্থগিত করেছেন ট্রাম্প: নিউইয়র্ক টাইমস

ছবি সংগৃহীত: ফাইল ছবি

অনলাইন ডেস্ক : আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত কমে যাওয়ার উদ্বেগে আছে মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের সদরদপ্তর পেন্টাগন। আর এ কারণে ইরানে হামলা স্থগিতের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত সূত্রের বরাত দিয়ে এমন তথ্য জানিয়েছে দ্য নিউইয়র্ক টাইমস।

গত মাসে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হলেও হরমুজ প্রণালিতে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার দ্বন্দ্বে প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে পাল্টাপাল্টি হামলা চালায় ওয়াশিংটন ও তেহরান। রোববার নতুন করে আর হামলার খবর পাওয়া যায়নি। বিপরীতে উভয়পক্ষ আলোচনার ওপর গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলেছে।

দুইদিন আগেও (বৃহস্পতিবার) ইরান ও হুতি বিদ্রোহী গোষ্ঠীদের ওপর বড় ধরনের সামরিক অভিযানের হুমকি দিয়েছিলেন ট্রাম্প। তবে শুক্রবার জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা ও মন্ত্রিসভার এক বৈঠকে অত্যাধুনিক প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টর এবং অন্যান্য আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত কমে যাওয়ার ব্যাপারে আলোচনা হয়। মূলত এরপরই হামলা স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেন ট্রাম্প।

বৈঠকের আলোচনা সম্পর্কে অবগত দুটি সূত্র নিউইয়র্ক টাইমসকে জানিয়েছে, হামলা অব্যাহত রাখলে কর্মকর্তারা বৃহত্তর আঞ্চলিক যুদ্ধ বেঁধে যাওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেন। সেটি হলে উপসাগরীয় মিত্ররা আরও বিপাকে পড়তে পারে। এছাড়া, অর্থনৈতিক মন্দা, জ্বালানি ও শরণার্থী সংকট বৃদ্ধি নিয়েও তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

যুক্তরাষ্ট্রের জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন এর আগে সতর্ক করে বলেছিলেন, ইরানে বড় ধরনের অভিযান চালানো সম্ভব। কিন্তু তাতে সেন্ট্রাল কমান্ডের কাছে থাকা ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত আশঙ্কাজনক হারে কমে যাবে।

এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করা হলে ড্যান কেইনের মুখপাত্র মন্তব্য করতে রাজি হননি। তবে দুটি সূত্র টাইমসকে বলেছে, ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠদের মধ্যে খুব কম লোকই উত্তেজনা বাড়ানোর পরিকল্পনায় সমর্থন দিয়েছেন। একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার যুক্তি- হামলা চালিয়ে গেলে ইরান আরও ঐক্যবদ্ধ হবে। তখন তারা আলোচনার টেবিলে বসার বদলে অন্য যুদ্ধক্ষেত্রের দিকে মনোযোগ দেবে।

হোয়াইট হাউসের যোগাযোগ বিভাগের পরিচালক স্টিভেন চেং বলেছেন, ট্রাম্প কূটনৈতিক সমাধান পছন্দ করেন। তবে তেহরান যদি হরমুজ প্রণালি বা মার্কিন মিত্রদের বিরুদ্ধে ‘সন্ত্রাসী কার্যকলাপ’ চালিয়ে যায়, তাহলে জবাব দেওয়ার জন্য সব পথ খোলা আছে।