ই-পেপার

শুল্ক নিয়ে বাংলাদেশকে বড় সুখবর দিল যুক্তরাষ্ট্র

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) থেকে নির্দিষ্ট কিছু পেটেন্ট করা

আপডেট: ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০:৫১
৭ ভিউ
শুল্ক নিয়ে বাংলাদেশকে বড় সুখবর দিল যুক্তরাষ্ট্র

ছবি সংগৃহীত: ফাইল ছবি

অনলাইন ডেস্ক : মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) থেকে নির্দিষ্ট কিছু পেটেন্ট করা ওষুধ ও সংশ্লিষ্ট উপাদান আমদানিতে ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। এর মধ্যেই বাংলাদেশ-ভারত-জাপানসহ ২০টি দেশের তালিকা ফেডারেল রেজিস্টারে প্রকাশ করেছে মার্কিন বাণিজ্য বিভাগ।

এর আগে গত ২ এপ্রিল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে পেটেন্ট করা ওষুধ, বায়োলজিকস এবং সংশ্লিষ্ট উপাদান আমদানিতে শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেন। এর লক্ষ্য ছিল দেশে এসব পণ্যের উৎপাদন বাড়াতে উৎসাহ দেয়া।

সংবাদমাধ্যম বলছে, শূন্য শতাংশ শুল্কের আওতায় থাকা পণ্যের মধ্যে রয়েছে বিরল রোগের চিকিৎসার জন্য নির্ধারিত সব ধরনের ওষুধ, বন্ধ্যত্বের চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধ, সেল থেরাপি, জিন থেরাপি, অ্যান্টিবডি-ড্রাগ কনজুগেটস (এডিসি) এবং প্রাণীর জন্য ব্যবহৃত ওষুধ। এসব ওষুধের উপাদানও শূন্য শতাংশ শুল্কের আওতায় থাকবে।

বাংলাদেশ ছাড়াও শূন্য শুল্কের আওতায় থাকা অন্য দেশ ও অঞ্চলগুলো হলো আর্জেন্টিনা, ভারক, কম্বোডিয়া, ইকুয়েডর, এল সালভাদর, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, গুয়াতেমালা, ইন্দোনেশিয়া, জাপান, জর্ডান, মালয়েশিয়া, নর্থ মেসিডোনিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, সুইজারল্যান্ড, লিচেনস্টাইন, তাইওয়ান, থাইল্যান্ড, যুক্তরাজ্য ও ভিয়েতনাম।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এসব দেশ ও অঞ্চল থেকে আমদানি করা যোগ্য পণ্য শূন্য শতাংশ শুল্ক সুবিধা পাবে। কারণ এসব দেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান বা ভবিষ্যতে কার্যকর হতে যাওয়া বাণিজ্য ও নিরাপত্তা কাঠামোসংক্রান্ত চুক্তি রয়েছে।

ট্রাম্পের গত এপ্রিলের ঘোষণার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে এই শুল্ক ছাড় দেয়া হয়েছে। ট্রেড এক্সপ্যানশন অ্যাক্টের ২৩২ ধারার আওতায় ওষুধ ও ওষুধের উপাদান আমদানির ক্ষেত্রে পরিবর্তন আনার অংশ হিসেবে ওই ঘোষণা দেয়া হয়েছিল।

ওই ঘোষণায় নির্দিষ্ট কিছু পেটেন্ট করা ওষুধ ও সংশ্লিষ্ট উপাদানের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়। এর মধ্যে কিছু কোম্পানির ক্ষেত্রে এই শুল্ক ৩১ জুলাই থেকে কার্যকর হয়েছে। আর তালিকাভুক্ত অন্যান্য কোম্পানির ক্ষেত্রে এটি ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হবে।

মার্কিন বাণিজ্য বিভাগের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, জেনেরিক ওষুধ এবং সংশ্লিষ্ট উপাদানগুলো ট্রেড এক্সপ্যানশন অ্যাক্টের ২৩২ ধারার আওতায় আরোপিত ওষুধের শুল্কের আওতাভুক্ত নয়।

এছাড়া বিজ্ঞপ্তিতে মূল ঘোষণার কিছু কারিগরি সংশোধনও আনা হয়েছে। এর মধ্যে ‘জেনেরিক ফার্মাসিউটিক্যাল আর্টিকেলস’-এর সংজ্ঞায় পরিবর্তন করে পেটেন্টবিহীন প্রাণীর স্বাস্থ্যসেবা পণ্যগুলোকে স্পষ্টভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

এছাড়া ‘ফার্মাসিউটিক্যাল আর্টিকেলস’-এর সংজ্ঞা নিয়েও বিষয়টি স্পষ্ট করা হয়েছে। এতে শুধু প্রস্তুত করা ওষুধ, ওষুধ তৈরিতে ব্যবহৃত সক্রিয় উপাদান এবং ওই সক্রিয় উপাদান তৈরির প্রধান কাঁচামালকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।