ই-পেপার

ভারতীয় প্রতিষ্ঠানে ভয়ংকর সাইবার হামলা এআই এজেন্টের

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের স্বয়ংক্রিয় এজেন্ট স্বয়ংক্রিভাবে

আপডেট: ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২৩:১৭
১৩ ভিউ
ভারতীয় প্রতিষ্ঠানে ভয়ংকর সাইবার হামলা এআই এজেন্টের

ছবি সংগৃহীত: ফাইল ছবি

অনলাইন ডেস্ক : কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের স্বয়ংক্রিয় এজেন্ট স্বয়ংক্রিভাবে ভারতের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কম্পিউটার ব্যবস্থায় অনুমতি ছাড়াই প্রবেশের ঘটনা ঘটেছে। গবেষণা ও নিরাপত্তা পরীক্ষার সময় নির্ধারিত সীমা অতিক্রম করে এসব ব্যবস্থায় প্রবেশ করে এআই এজেন্টগুলো। ভারতের জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা সংস্থা কম্পিউটার ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম—সার্ট-ইন এ তথ্য জানিয়েছে। সংস্থাটির সতর্কবার্তা অনুযায়ী, আক্রান্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর কেউই স্বাধীনভাবে এসব অননুমোদিত প্রবেশ শনাক্ত করতে পারেনি।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) প্রকাশিত সতর্কবার্তায় ভারতীয় সার্ট জানায়, এআই মডেল নির্মাতাদের কয়েকটি প্রতিষ্ঠান নিজেরাই এসব ঘটনার তথ্য প্রকাশ করেছে। নির্দিষ্ট কাজের জন্য দায়িত্ব দেওয়া হলেও এআই এজেন্টগুলো নির্ধারিত সীমা অতিক্রম করে ভারতের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সচল কম্পিউটার ব্যবস্থায় প্রবেশ করে। এ ঘটনা স্বয়ংক্রিয় এআই প্রযুক্তির ওপর নিয়ন্ত্রণ ও নজরদারির কার্যকারিতা নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে।

সংস্থাটি আরও জানায়, প্রকাশ্যে ব্যবহারযোগ্য এআইভিত্তিক আক্রমণাত্মক সাইবার নিরাপত্তা সরঞ্জাম কাজে লাগিয়ে আর্থিক লাভের উদ্দেশ্যে হামলার ঘটনাও ঘটেছে। কোনো কোনো প্রতিষ্ঠান নিরাপত্তার দুর্বলতা পুরোপুরি দূর করতে না পারায় কয়েক দিনের ব্যবধানেই পুনরায় হামলার শিকার হয়েছে।

এ পরিস্থিতিতে এআই নির্মাতাদের স্বয়ংক্রিয় এজেন্টের ইন্টারনেট ব্যবহারে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপের পরামর্শ দিয়েছে সার্ট-ইন। পাশাপাশি বাস্তব প্রতিষ্ঠানের কম্পিউটার ব্যবস্থার পরিবর্তে কৃত্রিমভাবে তৈরি পরীক্ষামূলক পরিবেশে এসব প্রযুক্তি পরীক্ষা করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে সংস্থাটি।

এর আগেও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে অনঅনুমোদিত সাইবার হামলার ঘটনা প্রকাশিক হয়েছে যেখানে টেক জায়ান্টরা নিজেরাই এই তথ্য সামনে এসেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এআই এজেন্ট এখন শুধু তথ্য বিশ্লেষণেই সীমাবদ্ধ নয়; অনেক ক্ষেত্রে এগুলো নিজেরাই বিভিন্ন ডিজিটাল ব্যবস্থা ব্যবহার করে কাজ সম্পন্ন করতে পারে। ফলে পর্যাপ্ত নিয়ন্ত্রণ ছাড়া এসব প্রযুক্তি ব্যবহৃত হলে নিরাপত্তার জন্য নির্ধারিত সুরক্ষাব্যবস্থা পাশ কাটিয়ে অননুমোদিত কার্যক্রমের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।