ই-পেপার

অপ্রতিমকে কীভাবে হত্যা করা হয়, জানালেন পুলিশ সুপার

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের

আপডেট: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২:২২
৮ ভিউ
অপ্রতিমকে কীভাবে হত্যা করা হয়, জানালেন পুলিশ সুপার

ছবি সংগৃহীত: ফাইল ছবি

অনলাইন ডেস্ক : কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক নাহিদা বেগমের ১৩ বছরের ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতিমকে হত্যার রহস্য উদ্‌ঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ।

আজ রোববার দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান। তিনি বলেন, অপ্রতিমকে নির্জন স্থানে নিয়ে মাথায় লাঠি দিয়ে আঘাত করে হত্যা করা হয়।

ঘটনার বর্ণনা দিয়ে পুলিশ সুপার বলেন, গত শুক্রবার বিকেল সোয়া ৩টার দিকে অপ্রতিমকে সঙ্গে নিয়ে সদর দক্ষিণের সানন্দা এলাকার লালমাই পাহাড়ের চারপাশে পাহাড়ঘেরা একটি নির্জন জঙ্গলে যায় তুহিন। পরে বিকেল ৫টা থেকে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে সেখানে মুঠোফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। মুঠোফোন ছিনিয়ে নেওয়ার সময় অপ্রতিম বাধা দিলে তুহিনের সঙ্গে তার ধস্তাধস্তি হয়। একপর্যায়ে তুহিন তাকে বাঁশের লাঠি দিয়ে আঘাত করে। পরে ফাহাদ ও কামরুলও লাঠি দিয়ে মাথায় আঘাত করে। অপ্রতিমের মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর তুহিন তার মুঠোফোন নিয়ে ফাহাদ ও কামরুলের সঙ্গে ঘটনাস্থল থেকে চলে যায়।

সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার আরও বলেন, অপ্রতিমের মরদেহ উদ্ধারের পর সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে তার সঙ্গে থাকা তুহিনকে হেফাজতে নেওয়া হয়। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ফাহাদ ও কামরুলকে আটকের পর তুহিনের দেখানো মতে তার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে অপ্রতিমের ব্যবহৃত মুঠোফোন উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ জানায়, অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার চারজনের মধ্যে তিনজন সরাসরি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। অপর একজনের সম্পৃক্ততার বিষয়টি অধিকতর যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।

গ্রেপ্তাররা হলেন সদর দক্ষিণ উপজেলার সানন্দা এলাকার নূরে আলমের ছেলে সাইফুল ইসলাম তুহিন (১৯), সালমানপুর এলাকার মমিন হোসেনের ছেলে মোজাম্মেল হোসেন ফাহাদ (১৫), সদর উপজেলার হাতিগাড়া এলাকার মো. আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে কামরুল হাসান (১৫) এবং সদর দক্ষিণের এলাহিপুর এলাকার সেলিম মিয়ার ছেলে মো. সিয়াম।