ই-পেপার

হালান্ডকে থামাতে ইংল্যান্ডের ভরসা ৬ ফুট ৭ ইঞ্চির ডিফেন্ডার

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে খেলা আর্লিং হালান্ডের দক্ষতা নিয়ে ভালোই জানা ইংল্যান্ডের ফুটবলারদের। ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে খেলার সুবাদে তাদের অনেকের সঙ্গেই নিয়মিত লড়াই হয়েছে নরওয়ের এই তারকার।

আপডেট: ১০ জুলাই ২০২৬, ১৮:০০
৬৯৯ ভিউ
হালান্ডকে থামাতে ইংল্যান্ডের ভরসা ৬ ফুট ৭ ইঞ্চির ডিফেন্ডার

ছবি সংগৃহীত: ফাইল ছবি

স্পোর্টস ডেস্ক : ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে খেলা আর্লিং হালান্ডের দক্ষতা নিয়ে ভালোই জানা ইংল্যান্ডের ফুটবলারদের। ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে খেলার সুবাদে তাদের অনেকের সঙ্গেই নিয়মিত লড়াই হয়েছে নরওয়ের এই তারকার। এবার বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে সেই হালান্ডকে থামানোর চ্যালেঞ্জ ইংল্যান্ডের সামনে। তবে এ কাজে থমাস টুখেলের সবচেয়ে কার্যকর অস্ত্র হতে পারেন ডিফেন্ডার ড্যান বার্ন।

৬ ফুট ৭ ইঞ্চি উচ্চতার নিউক্যাসল ইউনাইটেডের এই সেন্টার ব্যাককে বিশ্বকাপ দলে নেওয়ার সিদ্ধান্তে কিছুটা চমকই ছিল বলা যায়। ২০২৫ সালের মার্চে ৩৩তম জন্মদিনের ঠিক আগে ইংল্যান্ডের হয়ে অভিষেক হয় তার। এখন পর্যন্ত জাতীয় দলের হয়ে চারবার শুরুর একাদশে খেলেছেন। তবে সবগুলোই ছিল বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের ম্যাচে।

বিশ্বকাপে মেক্সিকোর বিপক্ষে শেষ ষোলোর ম্যাচে বদলি হিসেবে নেমে নিজের প্রয়োজনীয়তা ভালোভাবেই প্রমাণ করেছেন বার্ন। ১০ জনের দলে পরিণত হওয়ার পর ৩-২ ব্যবধানের লিড ধরে রাখতে শেষ ১৫ মিনিটে একের পর এক ক্রস ক্লিয়ার করেছেন তিনি। অতিরিক্ত সময়সহ রক্ষণ সামলানোর কঠিন পরীক্ষায়ও ছিলেন অনড়।

হালান্ডের মতো গতিশীল না হলেও শারীরিক লড়াইয়ে বার্নের রয়েছে বিশেষ দক্ষতা। নরওয়ের এই স্ট্রাইকারের চেয়ে বয়সে ৯ বছরের বড় হওয়ার পাশাপাশি উচ্চতায় দুই ইঞ্চি এগিয়ে আছেন তিনি। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, ক্লাব ফুটবলে হালান্ডের বিপক্ষে বার্নের রেকর্ড বেশ ভালো।

২০২২ সালে ম্যানচেস্টার সিটিতে যোগ দেওয়ার পর বার্নের বিপক্ষে আটবার খেলেছেন হালান্ড। এর মধ্যে ছয়টি ম্যাচ ছিল প্রিমিয়ার লিগে, বাকি দুটি এফএ কাপ ও ইংলিশ লিগ কাপে। ১০ ঘণ্টারও বেশি সময় মাঠে মুখোমুখি থাকার পরও বার্নের বিপক্ষে হালান্ডের গোল মাত্র একটি। সেটিও ২০২২ সালের আগস্টে প্রথম দেখায়।

আন্তর্জাতিক ফুটবলে গড়ে প্রতি ৭৩ মিনিটে একটি করে গোল করা হালান্ডকে বিবেচনায় নিলে এই পরিসংখ্যান নিঃসন্দেহে ইংল্যান্ডের জন্য স্বস্তিদায়ক। পাশাপাশি তাকে আটকানোর জন্য ড্যান বার্ন হতে পারেন সবচেয়ে কার্যকরী সমাধান।

শুধু বার্ন নন, ইংল্যান্ডের আরেক ডিফেন্ডার এজরি কনসার বিপক্ষেও হালান্ডের রেকর্ড খুব একটা ভালো নয়। পাঁচ ম্যাচে ৪০৬ মিনিট খেলেও তার বিপক্ষে গোল মাত্র একটি, সেটিও প্রথম সাক্ষাতে।

তবে মার্ক গুয়েহির বিপক্ষে চিত্র একেবারেই ভিন্ন। ক্রিস্টাল প্যালেসে খেলার সময় এই ডিফেন্ডারের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচে সাত গোল করেছিলেন হালান্ড। যদিও গুয়েহি ম্যানচেস্টার সিটিতে যোগ দেওয়ার পর দুজন প্রতিপক্ষের বদলে হয়েছেন সতীর্থ।

চার মৌসুমে ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে ১৩২টি প্রিমিয়ার লিগ ম্যাচে ১১২ গোল করেছেন হালান্ড। জিতেছেন তিনটি গোল্ডেন বুটও। এমন বিধ্বংসী এক স্ট্রাইকারকে থামাতে হলে ইংল্যান্ডের প্রয়োজন হবে বিশেষ পরিকল্পনার। সেই পরিকল্পনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকতেই পারেন ড্যান বার্ন।