ই-পেপার

এফবিআইয়ের তদন্তের মুখে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন

মিশরের বিপক্ষে জয় নিয়ে যখন বিতর্ক চলছে, তখন আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এএফএ) ঘিরে ভিন্ন এক তথ্য দিয়েছে দেশটির গণমাধ্যম লা নাসিওন

আপডেট: ০৮ জুলাই ২০২৬, ২১:৪৬
৩ ভিউ
এফবিআইয়ের তদন্তের মুখে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন

ছবি সংগৃহীত: ফাইল ছবি

স্পোর্টস ডেস্ক : মিশরের বিপক্ষে জয় নিয়ে যখন বিতর্ক চলছে, তখন আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এএফএ) ঘিরে ভিন্ন এক তথ্য দিয়েছে দেশটির গণমাধ্যম লা নাসিওন। লিওনেল মেসিদের অভিভাবক সংস্থাটির আর্থিক লেনদেনের ওপর নজরদারি শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (এফবিআই)।


বুধবার লা নাসিওনের বরাত দিয়ে এ নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ফক্স স্পোর্টস মেক্সিকো। তারা জানায়, ক্লদিও তাপিয়ার নেতৃত্বাধীন এএফএ বর্তমানে অর্থ পাচার বা মানি লন্ডারিংয়ের গুরুতর অভিযোগের মুখে আছে। মার্কিন আর্থিক ব্যবস্থার মাধ্যমে এএফএ’র কয়েক কোটি ডলার লেনদেন এবং তাতে স্থানীয় আইন অনুযায়ী কোনো অপরাধ সংঘটিত হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে এফবিআই।


তদন্তের অন্যতম কেন্দ্রে আছে ‘ট্যুরপ্রোডএন্টার এলএলসি’ নামে ফ্লোরিডাভিত্তিক একটি কোম্পানি। তারা এএফএ’র বৈদেশিক লেনদেন দেখভাল করে। কোম্পানিটির মালিক হাভিয়ের ফারোনি নামে এক ব্যক্তি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফারোনি ও তাঁর স্ত্রী এরিকা জিলেট যুক্তরাষ্ট্রের পাঁচটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে কয়েক কোটি ডলার লেনদেন বা স্থানান্তর করেছেন।


লা নাসিওন জানিয়েছে, লেনদেনগুলো করা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিক প্রতিষ্ঠান সিটিব্যাংক, সিনোভুস, ব্যাংক অব আমেরিকা, জেপি মরগান ও পিএনসি ব্যাংকের মাধ্যমে। আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন থেকে আসা আয়ের ২৬০ মিলিয়ন বা ২৬ কোটি মার্কিন ডলার এই প্রতিষ্ঠানগুলোতে খোলা অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে পরিচালনা করেছে ট্যুরপ্রোডএন্টার এলএলসি।


এই অর্থ এমন কিছু কোম্পানির কাছে পাঠানো হয়েছে, যেগুলো দৃশ্যমান কোনো সেবা দেয় না। সরকারি নথি বিশ্লেষণ করে লা নাসিওন জানিয়েছে, এসব কোম্পানি বুয়েন্স এইরেসের এমন বাসিন্দাদের নামে খোলা হয়েছে যারা নিজেরাই সামাজিক কল্যাণ ভাতার সুবিধাভোগী।


যুক্তরাষ্ট্রে এএফএ-সংশ্লিষ্ট কোম্পানির বিরুদ্ধে অর্থপাচারের অভিযোগ ওঠার আগে আর্জেন্টিনাতেও সমালোচনার মুখে পড়েন অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ক্লদিও তাপিয়া। ক্লাবের মালিকানা কাঠামো নিয়ে তাঁর সঙ্গে দেশটির প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেই প্রশাসনের দ্বন্দ্বও সামনে আসে। গত মার্চের শেষ দিকে সরকারি পক্ষের অভিযোগের ভিত্তিতে তাপিয়ার বিরুদ্ধে কর ফাঁকির মামলা হয়।