ই-পেপার

মাইক্রোসফটে চাকরি হারাচ্ছেন আরও ৪ হাজার ৮০০ জন

প্রযুক্তির নতুন চমক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই

আপডেট: ০৮ জুলাই ২০২৬, ০৯:৪১
১০ ভিউ
মাইক্রোসফটে চাকরি হারাচ্ছেন আরও ৪ হাজার ৮০০ জন

ছবি সংগৃহীত: ফাইল ছবি

অনলাইন ডেস্ক : প্রযুক্তির নতুন চমক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই। কিন্তু এই এআই-এর পেছনে বিশাল খরচের কারণে এবার চাকরি হারাচ্ছেন মাইক্রোসফটের প্রায় ৪ হাজার ৮০০ কর্মী। এটি তাদের মোট কর্মীর প্রায় ২.১ শতাংশ। সোমবার কোম্পানিটি এই কর্মী ছাঁটাইয়ের ঘোষণা দিয়েছে।


মাইক্রোসফট এখন এআই প্রযুক্তির পেছনে প্রচুর টাকা ঢালছে। এছাড়া কোম্পানির ভেতরের কাজ দ্রুত করতে তারা এই প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। এ বছর বড় প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর এআই-এর পেছনে খরচ ৭০০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এত খরচের টাকা তুলে আনতেই কোম্পানিগুলো চাপে আছে। অ্যামাজন ও মেটার মতো বড় কোম্পানিগুলোও এ বছর হাজার হাজার কর্মী ছাঁটাই করেছে।


সময়টা এখন খুব একটা ভালো যাচ্ছে না মাইক্রোসফটের। ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে তাদের শেয়ারের দাম প্রায় ২৩ শতাংশ কমে গেছে। ২০২২ সালের পর এটিই তাদের সবচেয়ে বড় দরপতন। এর আগে এ বছরের শুরুতে তারা যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ৯ হাজার কর্মীকে (৭ শতাংশ) স্বেচ্ছায় চাকরি ছাড়ার প্রস্তাব দিয়েছিল। সাধারণত জুন মাসে অর্থবছর শেষ হওয়ার আগে নতুন বছরের হিসাব মেলাতে তারা প্রতি বছরই কিছু কর্মী ছাঁটাই করে।

এআই-এর ব্যাপক চাহিদার কারণে মাইক্রোসফটের ‘অ্যাজুর’ ক্লাউড ব্যবসার বেশ উন্নতি হয়েছে। গত এপ্রিল পর্যন্ত তারাই ছিল ওপেনএআই-এর মডেলের একমাত্র বিক্রেতা। কিন্তু এগুলো চালানোর জন্য বড় ডেটা সেন্টার বানাতে গিয়ে তাদের নগদ টাকার টান পড়েছে। এপ্রিলে তারা জানিয়েছিল, ২০২৬ সালের জন্য তাদের ১৯০ বিলিয়ন ডলার খরচ হবে, যা সবার ধারণার চেয়ে অনেক বেশি।


এআই টুলগুলো এখন মানুষের অনেক কাজ সহজে করে দিচ্ছে, যা মাইক্রোসফটের লাভজনক সফটওয়্যার ব্যবসার জন্য এক নতুন হুমকি। এছাড়া ডেটা সেন্টারের কারণে মেমোরি চিপের দাম বেড়ে গেছে। ফলে বাধ্য হয়ে তাদের ‘এক্সবক্স’ গেমিং কনসোলের দাম বাড়াতে হয়েছে। যদিও এর চাহিদা আগে থেকেই বেশ কম ছিল।