মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ সংকট দীর্ঘায়িত হওয়ার আশঙ্কায়
ছবি সংগৃহীত: ফাইল ছবি
অনলাইন ডেস্ক : মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ সংকট দীর্ঘায়িত হওয়ার আশঙ্কায় বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম লাফিয়ে বেড়েছে। আর তেলের দাম বাড়ায় নতুন করে মূল্যস্ফীতি চাঙ্গা হওয়ার আশঙ্কায় মার্কিন ট্রেজারি বন্ডের সুদহার (ইয়েল্ড) ঊর্ধ্বমুখী হয়ে উঠেছে।
এর প্রত্যক্ষ প্রভাবে বিশ্ববাজারে সোনার দামে দরপতন ঘটেছে। টানা দুই কার্যদিবস বাড়ার পর মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) আবার দর হারাল নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে পরিচিত এ মূল্যবান ধাতু।
আন্তর্জাতিক বাজারে আজ স্পট গোল্ড বা সোনার দাম ০.৫ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৩৯২ দশমিক ৮৬ ডলারে নেমে এসেছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ফিউচার মার্কেটে আগামী ডিসেম্বরে সরবরাহের জন্য সোনার দাম ০.৫ শতাংশ কমে দাঁড়ায় ৪ হাজার ৪৪৯ দশমিক ৫০ ডলারে।
বাজার পরিস্থিতি নিয়ে স্বাধীন আর্থিক বিশ্লেষক রস নরম্যান বলেন, ‘সাম্প্রতিক সময়ে বেশ কিছুটা দরবৃদ্ধির পর বিনিয়োগকারীদের মুনাফা তুলে নেওয়ার (প্রফিট টেকিং) প্রবণতা এবং বাজারভিত্তিক কিছু প্রতিকূলতার কারণে সোনার দামে এই সাময়িক পতন বা সংশোধন দেখা যাচ্ছে।’
নরম্যান আরো জানান, মধ্যপ্রাচ্য সংকট দীর্ঘায়িত হলে বিশ্বজুড়ে মূল্যস্ফীতি আবার বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় মার্কিন ডলার শক্তিশালী হবে এবং ট্রেজারি বন্ডের ইয়েল্ড আরো বাড়বে, যা সোনার বাজারের জন্য নেতিবাচক।
সোনার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারে অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর দামও কমেছে।
আজ স্পট বাজারে রুপার দাম ১.১ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৬৫.০৮ ডলারে নেমেছে। এছাড়া প্ল্যাটিনামের দাম ১.৪ শতাংশ কমে ১ হাজার ৭৪৫.৫৮ ডলার এবং প্যালাডিয়ামের দাম ১ শতাংশ কমে ১ হাজার ৩১৮.২৯ ডলারে কেনাবেচা হচ্ছে।
দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট সোনার দাম ২ লাখ ৩৬ হাজার ৭৭৯ টাকা। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২৬ হাজার ১৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৯৪ হাজার ২০৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনা ১ লাখ ৫৮ হাজার ৬৩০ টাকা।
অন্যদিকে, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার গহনা বিক্রি হচ্ছে ৫ হাজার ৭৪ টাকায়।
২১ ক্যারেটের রুপা ৪ হাজার ৮৪১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের রুপা ৪ হাজার ১৯৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপা ৩ হাজার ১৫৯ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
খবর রয়টার্স